Skip to main content

সালমোনেল্লা এবং ইনফেকশন ভাইরাস ও ব্যাক্টেরিয়ার

  সালমোনেল্লা এবং ইনফেকশন ভাইরাস ও ব্যাক্টেরিয়ার ইদানিং লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে অনেকের লফটেই কবুতর বমি করতেছে এবং সালমোনেল্লা আক্রান্ত কবুতরের মতোই ড্রপিং করতেছে এবং খাওয়া দাওয়া বন্ধ করে দুই থেকে তিনদিনের মধ্যেই  কবুতর মারাও যাচ্ছে এবং এটি দ্রুত লফটে ছড়িয়ে যাচ্ছে বিশেষ করে ফেন্সিয়ার দের লফটে! রোগটা কি?  এটা একটা মিক্সড ইনফেকশন ভাইরাস ও ব্যাক্টেরিয়ার। ভাইরাসের সাথে ব্যাক্টেরিয়ার সম্মিলিত আক্রমণ এর ফলে মাত্র কয়েক ঘন্টার মধ্যেই পুরো লফট আক্রান্ত হয়ে যায়, এর প্রতিকার একটু কঠিন। প্রথমে আক্রান্তদের আলাদা করে সমস্ত লফট জীবানু মুক্ত করতে হবে। আক্রান্তের মধ্যে যেগুলো খাওয়া দাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে তাদের একসাথে ও যারা নিজেরা খায় তাদের একসাথে রাখতে হবে। এবং সুস্থ অসুস্থ সকল কবুতর কেই পটাশ পানিতে গোসল দিয়ে রোদে দিতে হবে। লফট জীবাণুমুক্ত করার নিয়ম, একলিটার পানিতে দুই মিলি ভাইরোসীড মিশিয়ে লফটের হাড়ি খোপ খাচা সবকিছু ই পরিস্কার সুতী নেকড়া ভিজিয়ে মুছে দিতে হবে এবং একই ঘনত্বের ভাইরোসীড দ্রবণ সমস্থ লফটের আনাচেকানাচে স্প্রে করে দিতে হবে।  চিকিৎসাঃ  প্রাকৃতিক ও এন্টিবায়োটিক দুটোই ব্যবহার ...

সালমোনেল্লা এবং ইনফেকশন ভাইরাস ও ব্যাক্টেরিয়ার

 

সালমোনেল্লা এবং ইনফেকশন ভাইরাস ও ব্যাক্টেরিয়ার


সালমোনেল্লা এবং ইনফেকশন ভাইরাস ও ব্যাক্টেরিয়ার


ইদানিং লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে অনেকের লফটেই কবুতর বমি করতেছে এবং সালমোনেল্লা আক্রান্ত কবুতরের মতোই ড্রপিং করতেছে এবং খাওয়া দাওয়া বন্ধ করে দুই থেকে তিনদিনের মধ্যেই  কবুতর মারাও যাচ্ছে এবং এটি দ্রুত লফটে ছড়িয়ে যাচ্ছে বিশেষ করে ফেন্সিয়ার দের লফটে! রোগটা কি?  এটা একটা মিক্সড ইনফেকশন ভাইরাস ও ব্যাক্টেরিয়ার। ভাইরাসের সাথে ব্যাক্টেরিয়ার সম্মিলিত আক্রমণ এর ফলে মাত্র কয়েক ঘন্টার মধ্যেই পুরো লফট আক্রান্ত হয়ে যায়, এর প্রতিকার একটু কঠিন। প্রথমে আক্রান্তদের আলাদা করে সমস্ত লফট জীবানু মুক্ত করতে হবে। আক্রান্তের মধ্যে যেগুলো খাওয়া দাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে তাদের একসাথে ও যারা নিজেরা খায় তাদের একসাথে রাখতে হবে। এবং সুস্থ অসুস্থ সকল কবুতর কেই পটাশ পানিতে গোসল দিয়ে রোদে দিতে হবে।


লফট জীবাণুমুক্ত করার নিয়ম, একলিটার পানিতে দুই মিলি ভাইরোসীড মিশিয়ে লফটের হাড়ি খোপ খাচা সবকিছু ই পরিস্কার সুতী নেকড়া ভিজিয়ে মুছে দিতে হবে এবং একই ঘনত্বের ভাইরোসীড দ্রবণ সমস্থ লফটের আনাচেকানাচে স্প্রে করে দিতে হবে। 


চিকিৎসাঃ 

প্রাকৃতিক ও এন্টিবায়োটিক দুটোই ব্যবহার করতে হবে। ন্যাচারাল মেডিসিন নিজে বানিয়ে ব্যবহার করতে হবে। 


ন্যাচারাল মেডিসিন বানানোর জন্য ইউক্যালিপটাসের পাতা 50 টা, আদা 50 গ্রাম রসুন 50 গ্রাম হলুদ 50 গ্রাম, দারুচিনি গুড়ো 50 গ্রাম ও কাঁচা পেপে 200 গ্রাম একত্রে মিশিয়ে ব্ল্যন্ড করতে হবে তারপর সমস্ত মিশ্রণ এর সাথে আরোও দেড় লিটার পানি যোগ করে ফুটিয়ে এক লিটার হয়ে এলে নামিয়ে ছেকে একটি পাত্রে সংরক্ষণ করতে হবে এবং উক্ত দ্রবণ 5 থেকে ১০ মিলি/লিটার পানিতে মিশিয়ে সুস্থ অসুস্থ সকল কবুতর কেই খাইয়ে যেতে হবে। 


যারা খাওয়া দাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে তাদের 10 মিলি করে রাইস স্যালাইন বা বার্লি সেমি সলিড করে রান্না করা অবস্থায় দৈনিক তিনবার খাইয়ে যেতে হবে ও ন্যাচারাল মেডিসিন মেশানো পানি দৈনিক তিনবার ১০ মিলি করে সাবধানে যেনো শ্বাশনালীতে না ঢুকে যায় এভাবে খাইয়ে যেতে হবে তিন থেকে 5 দিন ম 


মেডিসিন হিসেবে এনরোসিন ও কক্সিট্রিল 4 ফোটা করে 24 ঘন্টা পরপর যারা খেতে পারেনা তাদের এবং যারা নিজে খেতে পারে তাদের পানিতে ১ মিলি/লিটার উভয় মেডিসিন ই মিশিয়ে খেতে দিতে হবে ৭ দিন থেকে ১০ দিন। 

কক্সিট্রিল বা টল্টাজুরিল সল্যুশন কোনভাবেই ৫ দিনের বেশি দেয়া যাবেনা

ধন্যবাদ!

Comments

Popular posts from this blog

সাদা চুনা পায়খানা, ফেনাযুক্ত পায়খানা, কবুতর জীম ধরে বসে থাকা, সবুজ রং এবং ডায়রিয়া

Victory plus ( কবুতরের জন্য আশীর্বাদ স্বরূপ ) সাদা চুনা পায়খানা, ফেনাযুক্ত পায়খানা, কবুতর জীম ধরে বসে থাকা, সবুজ রং এবং ডায়রিয়া   Victory plus ( কবুতরের জন্য আশীর্বাদ স্বরূপ ) #সলমলিনা হওয়া #সাদা চুনা পায়খানা করা #ফেনাযুক্ত পায়খানা করা #কবুতর জীবন ধরে বসে থাকা #কবুতরের খাদ্য গ্রহনে অনীহা #সবুজ রং এবং ডায়রিয়া জনিত সমস্যা #শ্বাস প্রশ্বাসের কষ্ট মুখ হা করে শ্বাস-প্রশ্বাস গ্রহণ করা #প্রতিনিয়তঃ কবুতরের ওজন কমে যাওয়া ব্যবহারবিধি প্রতিষেধক হিসেবে --------------  #হাফ লিটার পানিতে 2 গ্রাম মেডিসিন #যে কবুতরের সবুজ চুনা পায়খানা হচ্ছে #3 থেকে 5 দিন পর্যন্ত খাওয়াবেন টানা  #ঔষধ মিশ্রিত পানি 6 ঘন্টা থেকে আট ঘণ্টা পর ফেলে দেবেন প্রতিরোধ হিসেবে --------------- 1 লিটার পানিতে 1 গ্রাম মেডিসিন সুস্থ কবুতরকে টানা তিন থেকে পাঁচ দিন খাওয়াবেন সুস্থ কবুতর এর ক্ষেত্রে প্রয়োগ করার আগে তাদের ড্রপিং এর ছবি তুলে করে আবার ছবি তোলে দুইটা ছবি মিলিয়ে দেখবেন কবুতরের ড্রপিং কতটা স্বাস্থ্যসম্মত রয়েছে  অতিরিক্ত মাত্রায় আক্রান্ত ------------------- যেমন ড্রপিং এর কালার যদি খুব বেশি...